কক্সবাজারে জোয়ারে পানির উচ্চতা বেড়েছে

আপডেট: 2019-05-04 13:14:27

ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে সাগরে জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের চেয়ে ৪ থেকে ৫ ফুট উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া বেড়েছে বাতাসের তীব্রতাও। কক্সবাজারে কোনো পর্যটককে সাগরে নামতে দিচ্ছে না লাইফ গার্ডকর্মী ও ট্যুরিস্ট পুলিশ। চলছে মাইকিং। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে সৈকত এলাকার সহস্রাধিক দোকানপাট।
 

এদিকে, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। 

সৈকতের লাবণী পয়েন্টে টাঙানো হয়েছে লাল পতাকা। সাথে চলছে জেলা প্রশাসনের বিচ কর্মী ও ট্যুরিস্ট পুলিশের সতর্কতামূলক মাইকিং। আর সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে অর্ধ-শতাধিক লাইফ গার্ড কর্মী।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় ফণীর আগাম সতর্কতা হিসেবে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে সৈকত এলাকার সহস্রাধিক দোকানপাট। তবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নিয়ে চরম আতংকে আছেন তারা।

দোকানদাররা জানান, টুরিস্ট পুলিশ দু’দিন দোকান বন্ধ রাখার জন্য নির্দেশ দিয়েছে। ঘূর্ণিঝড় সত্যিই যদি আঘাত হানে তাহলে আমরা বিপুল পরিমাণ ক্ষতির মুখে পড়বো। 

ঘূর্ণিঝড় থেকে পর্যটকদের এবং সৈকত এলাকার দোকানিদের বাঁচাতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানালেন লাইফ গার্ডকর্মী ও ট্যুরিস্ট পুলিশ।
 

 


সি-সেইভ লাইফ গার্ডের সুপার ভাইজার ওসমান গণি বলেন, কক্সবাজারে এখন ৪ নম্বর সংকেত চলছে। সাগর উত্তাল আছে। তাই আমরা পর্যটকদের সাগরে নামতে বাধা দিচ্ছি।

ট্যুরিস্ট পুলিশের উপ-পরিদর্শক সনজয় দাশ বলেন, দোকানদারদের দুদিন দোকান বন্ধ রাখতে বলেছি।

আর ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক জানালেন, ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১০ হাজার কর্মী।

ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার বলেন, ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৮৫০ জনকে আমরা আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে নিতে পারবো। এই আশ্রয়কেন্দ্রগুলোর কন্ট্রোল ইউএনও-দের কাছে আছে। 

জেলা প্রশাসন দুযোর্গ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ শাখা জানায়, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় মজুদ রয়েছে ৪'শ মেট্রিক টন চাল, সাড়ে ৪ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার ও নগদ টাকা।